আলফাডাঙ্গায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে রাস্তা মেরামত

68
মিয়া রাকিবুল,আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়া একটি রাস্তা মেরামত করেছে গ্রামবাসী।এতে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে অনেকে।শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার বানা ইউনিয়নের শিরগ্রাম বাজার হ‌তে উথলী-আড়পাড়া (উত্তর পাড়া) – বেড়িরহাট বাজারে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উথলি – আড়পাড়া মোল্যা পাড়া অংশের ভাঙ্গা অংশে বালু এবং ইট দিয়ে মেরামত করেছে আড়পাড়া গ্রামের মোল্যা পাড়ার লোকজন। সব শ্রেণি পেশার মানুষ তাদের নিজস্ব অর্থ এবং শ্রম দিয়ে রাস্তাটি চলাচলের কিছুটা উপযোগী করে তুলেছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন সংস্কার না করার কারণে রাস্তার ইট উঠে গিয়েছে এবং জায়গায় জায়গায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এই রাস্তায় চলাচলকারী জনসাধারণের দুর্ভোগ দির্ঘদিনের।রাস্তাটি মেরামত না হওয়ায় এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা ভ্যান গাড়ি, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেলসহ ছোট-বড় অন্যান্য যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন।তারপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছেন হাজারও মানুষ।এক সময় ভারী যানবাহন চলাচল করলেও দুই বছর যাবৎ ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে গুরত্বপূর্ণ এ সড়কটিতে।সারা দিন রাত যে সড়কটি ব্যস্ত থাকতো এখন সে সড়কে খুব বেশি ব্যস্ততা না থাকলেও ছোট ছোট যানবাহনে আশপাশের কয়েকটা গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ,হাট-বাজার এবং উপজেলা সদরে যেতে হয় এ রাস্তা দিয়েই। প্রতিদিন মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন তারা।
কিন্তু সম্প্রতি রাস্তার কয়েকটি জায়গায় ইট উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টির কার‌ণে বেড়ে যায় দুর্ঘটনার মাত্রা।চোখের সামনে প্রায়শই দুর্ঘটনা দেখতে দেখতে দিশেহারা গ্রামের মানুষ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যখন নিশ্চুপ তখন রাস্তাটি অন্তত চলাচলের উপযোগী করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় গ্রামবাসী। এবিষয়ে আড়পাড়া নিবাসী আব্দুল মান্নান মোল্যা জানান, ‘এই রাস্তাটি দি‌য়ে প্র‌তি‌দিন হাজারও মানুষ যাতায়াত ক‌রেন।প্র‌তি‌নিয়ত এখা‌নে দুর্ঘটনা ঘ‌টেই চল‌ছে, তাই একারণেই গ্রামবাসীদের এ উদ্যোগ।’শিরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হায়াত মাহমুদ লিটন মোল্যা ব‌লেন, ‘আশা রা‌খি এ কা‌জের ফ‌লে দুর্ঘটনা কিছুটা দূর হ‌বে এবং কর্তৃপ‌ক্ষের কা‌ছে অনু‌রোধ থাক‌বে দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করে একটা স্থায়ী সমাধান।’